কয়রায় এ ডব্লিউ ডি ও গুটি ইউরিয়া সুপার গ্র্যানুলার প্রযুক্তি ব্যাবহারের মাধ্যমে জিঙ্ক সমৃদ্ধ বিরি ধান-১০২ প্রর্দশনী প্লটের ধান কর্তন উপলক্ষে মাঠ দিবস পালন”করা হয়েছে।
বুধবার ( ২২ এপ্রিল) ২নং কয়রা গ্রামে উত্তরণের কল প্রকল্পের উদ্যোগে এই মাঠ দিবসে স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ঐ গ্রামের কৃষক আছাদুল্যাহ জানান, তারা এ বার বোরো মৌসুমে এই ধান চাষাবাদ করে বিঘা প্রতি ২৭ মন ধান উৎপাদন করতে সম্ভব হয়েছে। তাদের দেখাদেখিতে এই অঞ্চলের কৃষকরা এই ধান চাষাবাদ করতে আগ্রহী দেখিয়েছে। মাঠ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে আলোচনায় বক্তব্য রাখেন কয়রা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস এম লুৎফর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ জাকির হোসেন, ইউপি সদস্য আবু হুরাইরা খোকন, শাহানারা জামাল, উত্তরণের কল প্রকল্পের উপজেলা ম্যানেজার আলতাফ হোসেন, কমিউনিটি মোভিলাইজার ফজিয়া পারভীন, মোঃ হাবিবুর রহমান, স্থানীয় কৃষক হানিফা শেখ, রাশেদ শেখ, আজিজুল হক, হাফিজা বিবি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জানানো হয় প্রকল্পটি ধান চাষাবাদের সহযোগিতার পাশাপাশি মিষ্টি আলু চাষ, বিভিন্ন শাক সবজি চাষ সহ জলবায়ু-সহনশীল কৃষি পদ্ধতির প্রচার, প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহন এবং বছরব্যাপী বাড়ির আঙিনায় সবজি উৎপাদন, ভার্মি কম্পোস্ট,বস্তা পদ্ধতির সবজি চাষ মালচিং-ভিত্তিক সবজি চাষ, সবুজ সার প্রয়োগ, পর্যায়ক্রমিক ভেজানো ও শুকানো সেচ এবং গুটি ইউরিয়া ব্যবহারে সহযোগিতা করে আসছে। এই উদ্যোগটি উত্তরণ সংস্থার বাস্তবায়ন করছে, যা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন(গেইন)এর কারিগরি সহায়তায় এবং বাংলাদেশে অবস্থিত সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অর্থায়নে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাট লোকাল লেভেল (কল)’ কর্মসূচির অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। উপ সহকারি কৃষি অফিসার মোঃ জাকির হোসেন বলেন, সীমিত সেচের কারণে পূর্বে অনাবাদী থাকা জমি এখন চাষের আওতায় আনা হচ্ছে, যা পানি-নির্ভর কৃষি উপকরণের উপর নির্ভরতা কমাচ্ছে এবং অণুপুষ্টিসমৃদ্ধ ফসল উৎপাদন করছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকের আয় উভয়ই উন্নত করছে। স্থানীয় কৃষকরা এ ধরনের প্রকল্প গ্রহন করায় উত্তরনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
এ জাতীয় আরো খবর..